পরিবারের নারীকে চাকরিতে দেখতে চান ৪২% পুরুষ: আইএলও

ILO

দেশের ৪২ শতাংশ পুরুষ চান পরিবারের নারীরা চাকরি করুক। তুলনামূলক শিক্ষিত পুরুষদের মধ্যে এ প্রবণতা বাড়ছে। অন্যদিকে এখনো ৪৪ শতাংশ নারী পরিবারের বাইরে গিয়ে চাকরি করাকে ভালো চোখে দেখছেন না।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার ওয়াশিংটনে এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশসহ ১৪২ দেশের দেড় লাখ নারী-পরুষের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

নারী দিবস উপলক্ষে ‘নারী ও তার কাজের ভালো ভবিষ্যতের প্রতি : নারী-পুরুষের কণ্ঠ’ শিরোনামে এ জরিপ পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্যালাপের সহযোগিতা নেওয়া হয়।

পরিবারের নারীর পক্ষে বাইরে কাজের বিষয়ে পুরুষের ইতিবাচক মানসিকতা বাড়লেও অনেক দেশের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি প্রতিবেশি ভারত ও নেপাল থেকে বেশ পেছনে  বাংলাদেশের অবস্থান।

নারীর চাকরির বিষয়ে নেপালের ৮১ শতাংশ ও ভারতের ৭০ শতাংশ মানুষের মনোভাব ইতিবাচক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বয়সভেদে হিসাব করলে বাংলাদেশের ১৫-২৯ বছর বয়সী ৫২ শতাংশ ও ৩০ বছর বয়সী ৫০ শতাংশ মানুষ পরিবারের নারীকে চাকরিতে চান। শিক্ষিত মানুষের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি।

জরিপ অনুযায়ী, নারীকে চাকরিতে দেখতে চান এমন মানুষের মধ্যে ৫৭ শতাংশ মাধ্যমিক পর্যায় এবং ৪৩ শতাংশ প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা সমাপ্ত করা। অন্যদিকে ৪৪ শতাংশ নারী চাকরির বদলে বাড়িতে থাকতেই পছন্দ করেন। ৩৯ শতাংশ নারী দুটোই করতে চান। ৪ শতাংশ নারী এ বিষয়ে কোনো মতামত দেননি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে গড়ে ৬৮ শতাংশ মানুষ নারীকে চাকরিতে পাঠাতে রাজি থাকেন। দক্ষিণ এশিয়ায় ৫৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৫২ শতাংশ নারী এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে আছে উত্তর আমেরিকা। সেখানকার ৭৯ শতাংশ নারী ও ৫৯ শতাংশ পুরুষ চান পরিবারের নারীরা চাকরিতে আসুক।

Leave a Reply